🦗 কীটনাশক

এনাইয়া

এনাইয়া

(এমামেকটিন বেনজয়েট ২০% + থায়ামেথাক্সাম ২০%) ডব্লিউ / ডব্লিউ

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
ধান মাজরা পোকা গ্রাম গ্রাম
ফল ফলছিদ্রকারী পোকা গ্রাম গ্রাম
ইনটেক

ইনটেক

(ক্লোরপাইরিফস ৫০% + সাইপারমেথ্রিন ৫% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
আলু কাটুই পোকা ৪০০ মিলি ২০ মিলি
আলু এফিড ২০০ মিলি ১০ মিলি
চা উই পোকা ১.৬০ লিটার ৮০ মিলি
তুলা এফিড, জেসিড ও সাদা মাছি ২৪০ মিলি ১২ মিলি
রিগ্যান

রিগ্যান

(ক্লোরপাইরিফস ৪৮% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
তুলা গুটি,বলওয়ার্ম পোকা ২৪০ মিলি ১২ মিলি
আলু কাটুই পোকা ১.৪ লিটার ৭০ মিলি
চা উইপোকা ১.৯ লিটার ৯৫ মিলি
বরবটি জাব পোকা ২০০ মিলি ১০ মিলি
ফোরেট

ফোরেট

(নিটেনপাইরাম ২০% + পাইমেট্রোজিন ৫০%)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
ধান কারেন্ট পোকা ১২০ গ্রাম ৬ গ্রাম
থ্রিলার

থ্রিলার

(এবামেকটিন ১.৮% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
ধান পামরী পোকা ৪০০ মিলি ২০ মিলি
বেগুন পামরী পোকা ২০০ মিলি ১০ মিলি
সবজি পামরী পোকা ২০০ মিলি ১০ মিলি
গুরুথিয়ন

গুরুথিয়ন

(ম্যালাথিয়ন ৫৭% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
ধান পামরী, চুংগী পাতা মোড়ানো পোকা,ও থ্রিপস পোকা ৪৫০ মিলি ২২.৫ মিলি
শাক সবজি এফিড, জ্যাসিড ৪৫০ মিলি ২২.৫ মিলি
ডাল ও তৈল জাতীয় সব ধরনের জাবপোকা ৪৫০ মিলি ২২.৫ মিলি
চা হেলোপেলটিস (মশা) ৯১০ মিলি ৪৫.৫ মিলি

🍄 ছত্রাকনাশক

নাসা ৭২ ডব্লিউপি

নাসা ৭২ ডব্লিউপি

(ম্যানকোজেব ৬৪% + সাইমোক্সানিল ৮% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
আলু লেট ব্লাইট ২০০ গ্রাম ২০ গ্রাম
ফরএভার ৭৫ ডব্লিউজি

ফরএভার ৭৫ ডব্লিউজি

(টেবুকোনাজল ৫০% + ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিন ২৫% ডব্লিউ ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
কলা সিগাটোকা ২০০ গ্রাম ১০ গ্রাম
টানেল ৭৫ ডব্লিউ পি

টানেল ৭৫ ডব্লিউ পি

(ট্রাইসাইক্লাজল ৭৫% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
কলা সিগাটোকা ২০০ গ্রাম ১০ গ্রাম
ধানের ব্লাস্ট রোগ ২০০ গ্রাম ১০ গ্রাম
বেসিক টপ  ৩২.৫ এসসি

বেসিক টপ ৩২.৫ এসসি

(এজোক্সিস্ট্রোবিন ২০% + ডাইফেনোকোনাজল ১২.৫% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল পোকার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
পেঁয়াজ পার্পল ব্লচ ২০০ মিলি ১০ মিলি
ধান ব্লাস্ট ৪০০ মিলি ২০ মিলি
ধান সীথ ব্লাইট ৪০০ মিলি ২০ মিলি

🌿 আগাছানাশক

ফিটফাট ১৮ ডব্লিউপি

ফিটফাট ১৮ ডব্লিউপি

(এসিটাক্লোর ১৪% ও বেনসালফিউরান মিথাইল ৪% ডব্লিউ/ডব্লিউ)

ফসল আগাছার নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
ধান শুশনি শাক ৩০০ গ্রাম ১৫ গ্রাম
ধান চেঁচড়া ৩০০ গ্রাম ১৫ গ্রাম
ধান হলদে মুথা ৩০০ গ্রাম ১৫ গ্রাম
ধান বড় পানি কচু ৩০০ গ্রাম ১৫ গ্রাম

📈 উদ্ভিদ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক (পিজিআর)

প্লানোফিক্স

প্লানোফিক্স

(ন্যাপথালিক এসিটিক এসিড ৯৮%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
সব ধরনের ফসলের জন্য প্লানোফিক্স (ন্যাপথালিক এসিটিক এসিড ৯৮%) এর অভাবে ফুলের কুঁড়ি ঝরে পড়া, ফল ঝরে পড়া, ফলের আকার ছোট হওয়া, শিকড়ের বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া, এবং বীজের অঙ্কুরোদগম কমে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয়, যা ফলন ও গুণগত মান কমিয়ে দেয়। NAA এর অভাবে মূলত ফলের মুকুল বিকৃতি, অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, এবং সামগ্রিক গাছের দুর্বলতা দেখা দিতে পারে, যা পরোক্ষভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ৫০ মিলি ২.৫ মিলি (পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। দুপুরের রৌদ্রে প্লানোফিক্স ব্যবহার করবেন না। ফুল ফল আসার ১৫ দিন পূর্ব হতে ফসল কর্তনের আগ পর্যন্ত ৩/৪ বার স্প্রে করতে হবে।)
প্রি-ওজিম

প্রি-ওজিম

(৪-ক্লোরোফেনোক্সি এসিটিক এসিড)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
সব ধরনের ফসলের জন্য প্রি-ওজিম (৪-ক্লোরোফেনোক্সি এসিটিক এসিড) এর অভাবে ফুল ও ফল ঝরে পড়া, ফল ধারণে ব্যর্থতা, ফলের আকার ছোট হওয়া, এবং সামগ্রিক বৃদ্ধি কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয় ৪০০ মিলি ২০ মিলি (ফুল ও ফল আসার ১৫ দিন পূর্ব হতে ফসল কর্তনের আগ পর্যন্ত ৩/৪ বার স্প্রে করতে হবে।দুপুরের রৌদ্রে প্রি-ওজিম ব্যবহার করবেন না)
গ্রোথ

গ্রোথ

(জিব্রেলিক এসিড ৮০%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
সব ধরনের ফসলের জন্য গ্রোথ (জিব্রেলিক এসিড ৮০%) এর অভাবে ফসলে প্রধানত বামনত্ব, পাতার বিকৃতি, ফুল ফোটা ও ফল ধরায় সমস্যা, শিকড় বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া এবং সুপ্তাবস্থা ভাঙতে না পারা-এর মতো সমস্যা দেখা দেয়, যা সামগ্রিক ফলন ও গুণগত মান কমিয়ে দেয় ১ গ্রাম গ্রোথ ৩০ লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে সকল প্রকার ফসলে স্প্রে করুন। ১ গ্রাম গ্রোথ ৩০ লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে সকল প্রকার ফসলে স্প্রে করুন।
মিতৃকা

মিতৃকা

(হিউমিক এসিড ৫০%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য মিতৃকা এর অভাবে ফসলের রোগ সরাসরি নির্দিষ্ট কিছু রোগে আক্রান্ত হওয়ার চেয়ে বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, পুষ্টি শোষণ ব্যাহত হয়, শিকড়ের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, এবং মাটির স্বাস্থ্য খারাপ হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ (যেমন মূল পচা রোগ, অঙ্কুরোদগমন সমস্যা) এবং পুষ্টির অভাবজনিত সমস্যা (ক্লোরোসিস) হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, ৩ কেজি ১ কেজি

💧 মাটির স্বাস্থ্য পণ্য

টপ জিংক

টপ জিংক

(চিলেটেড জিংক)

ফসল রোগের নাম বিঘা প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে)
সব ধরনের ফসলের জন্য টপ জিংক (চিলেটেড জিংক) এর অভাবে ফসলের প্রধান রোগগুলো হলো গাছের বৃদ্ধি কমে যাওয়া, পাতায় হলুদ হয়ে যাওয়া এবং বিকৃত হওয়া, বিশেষ করে শিরাগুলো সবুজ রেখে পাতার বাকি অংশ হলুদ হয়ে যায়, যাকে আন্তঃশিরা ক্লোরোসিস বলে; এছাড়া নতুন পাতা ছোট ও কুঁকড়ানো হয়ে যায়, ফুল ও ফল ধরতে দেরি হয় এবং ফলন কমে যায়, এবং মারাত্মক অবস্থায় বাদামী দাগ বা তামাটে ভাব দেখা দেয়, যা ফলনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। ৭০-১০০ গ্রাম ৫-১০ গ্রাম
কাশবন

কাশবন

(সলুবোর বোরণ ২০%)

ফসল রোগের নাম প্রয়োগমাত্রা
সব ধরনের ফসলের জন্য কাশবন (সলুবোর বোরণ ২০%) এর অভাবে ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, ফুল ও ফল ঝরে যায়, ফল ফেটে যায় বা বিকৃত আকার ধারণ করে, এবং মূল অংশ মরে যায়, যার ফলে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যায়; যেমন - সরিষার বীজের অভাব, সরিষা, টমেটো, আলু, গাজর, ফুলকপি, কলা, পেঁপে, আম ইত্যাদি ফসলে "বাদামী হৃৎপিণ্ড" বা কান্ডের পচন রোগ এবং পাতার ডগা হলুদ হয়ে যাওয়া বা কুঁকড়ে যাওয়া দেখা দেয়। প্রতি লিটার পানিতে ১-১.৫ গ্রাম সলুবর মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে । ফসলের ফুল ও ফল ধরার সময় হতে শুরু করে দুই বার প্রয়োজনে তিনবার স্প্রে করতে হবে। ভিন্ন ভিন্ন ফসলের প্রয়োজন অনুসারে প্রয়োগমাত্রা কম বেশি হতে পারে।
বেসিক বোরণ

বেসিক বোরণ

(বোরন ১৭%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য বেসিক বোরণ (বোরন ১৭%) এর অভাবে ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, ফুল ও ফল ঝরে যায়, ফল ফেটে যায় বা বিকৃত আকার ধারণ করে, এবং মূল অংশ মরে যায়, যার ফলে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যায়; যেমন - সরিষার বীজের অভাব, সরিষা, টমেটো, আলু, গাজর, ফুলকপি, কলা, পেঁপে, আম ইত্যাদি ফসলে "বাদামী হৃৎপিণ্ড" বা কান্ডের পচন রোগ এবং পাতার ডগা হলুদ হয়ে যাওয়া বা কুঁকড়ে যাওয়া দেখা দেয়। ৩ কেজি ১ কেজি
ধানি জিংক

ধানি জিংক

(জিংক ২১% এবং সালফার ১০.৫%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য ধানি জিংক (জিংক ও সালফারের) অভাবে ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, পাতা ছোট ও বিবর্ণ (হলুদ) হয়ে যায়, মরিচা বা তামাটে দাগ পড়ে, কুশি বা ফুল/ফল কম হয়, গাছ দুর্বল হয়ে যায়, এবং ফলন ও গুণগত মান কমে যায়, যা সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে পোকামাকড় ও অন্যান্য রোগের আক্রমণ বাড়ায়। বিশেষত ধানের 'ক্ষুদে পাতা' বা রোজেট লক্ষণ এবং সালফারের অভাবে পাতার ডগা থেকে হলুদ হওয়া বা মরিচা দাগ দেখা দেয়, যা সামগ্রিক ফসলের স্বাস্থ্য নষ্ট করে। ৩ কেজি ১ কেজি
মুক্ত জিংক

মুক্ত জিংক

(জিংক ৩৬% এবং সালফার ১৭.৫%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য জিংক ও সালফারের অভাবে ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, পাতা ছোট ও বিবর্ণ (হলুদ) হয়ে যায়, মরিচা বা তামাটে দাগ পড়ে, কুশি বা ফুল/ফল কম হয়, গাছ দুর্বল হয়ে যায়, এবং ফলন ও গুণগত মান কমে যায়, যা সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে পোকামাকড় ও অন্যান্য রোগের আক্রমণ বাড়ায়। বিশেষত ধানের 'ক্ষুদে পাতা' বা রোজেট লক্ষণ এবং সালফারের অভাবে পাতার ডগা থেকে হলুদ হওয়া বা মরিচা দাগ দেখা দেয়, যা সামগ্রিক ফসলের স্বাস্থ্য নষ্ট করে। ৩ কেজি ১ কেজি
বেগ প্লাস

বেগ প্লাস

(ম্যাগনেসিয়াম ৯.৫% এবং সালফার ১২.৫%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য বেগ প্লাস (ম্যাগনেসিয়াম (Mg) ও সালফার (S)) এর অভাবে ফসলের পাতায় ক্লোরোফিলের অভাবে হলুদ হয়ে যায় (ক্লোরোসিস), যা সালোকসংশ্লেষণ কমায় ও ফলন হ্রাস করে, এছাড়া অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন, চর্বি ও চিনি তৈরিতে বাধা দেয়, যার ফলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যদিও সরাসরি 'রোগ' হওয়ার চেয়ে পুষ্টির অভাবজনিত সমস্যা বেশি হয়, যা ফলন ও গুণগত মান নষ্ট করে। ৬ কেজি ২ কেজি
হীরক

হীরক

(বোরন ১৫%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য হীরক (বোরন ১৫%) এর অভাবে ফসলের নতুন কুঁড়ি ও ডগা মরে যায়, পাতা কুঁকড়ে যায়, ফুল ও ফল ঝরে পড়ে, ফল ফেটে যায় ও বিকৃত হয় (যেমন পেঁপে, কাঁঠাল, আপেল, বিট), এবং মূলের বৃদ্ধি কমে যায়, যার ফলে ফসলের সামগ্রিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও ফলন কমে যায়। এটি মূলত কোষ বিভাজন ও গঠনে বাধা দেয়, ফলে ব্রাউন হার্ট (বাদামী হৃৎপিণ্ড), ওয়াটার কোর (আপেলের মধ্যে জলীয় অংশ) ও কর্কের মতো সমস্যা দেখা দেয়। ৩ কেজি ১ কেজি
ক্যালিষ্টো

ক্যালিষ্টো

(ক্যালসিয়াম ২৩% ও সালফার ১৭%)

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য ক্যালিষ্টো (ক্যালসিয়াম (২৩%) ও সালফার (১৭%)) এর অভাবে ফসলের নতুন পাতা ফ্যাকাসে ও দুর্বল হয়, গাছ খাটো হয়, শিকড় কালচে হয়, ফুল ও ফল কম হয় এবং দানা অপূর্ণ বা চিটা হয়, যা ফলন ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেয়, বিশেষত ধানে (যেমন Blossom End Rot টমেটোতে), এবং সামগ্রিক বৃদ্ধি ব্যাহত করে, যা কৃষকের জন্য বড় ক্ষতি। ১৫-২০ কেজি ৬ কেজি
সুফলা

সুফলা

(ক্যালসিয়াম ২০% ম্যাগনেসিয়াম ১১% এবং সালফার ১২% )

ফসল রোগের নাম একর প্রতি বিঘা প্রতি
সব ধরনের ফসলের জন্য সুফলা (ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সালফারের) অভাবে ফসলের পাতা হলুদ হওয়া (ক্লোরোসিস), আগা মরা, ফল ও কান্ড ফেটে যাওয়া, শিকড় বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া এবংoverall দুর্বলতা দেখা দেয়, যা ফলন কমিয়ে দেয়; যেমন, ম্যাগনেসিয়াম অভাবে ক্লোরোফিল কমে পাতা হলুদ হয় ও দ্রুত ঝরে পড়ে, ক্যালসিয়ামের অভাবে ডগা মরে ও ফল ফাটে, আর সালফারের অভাবে বৃদ্ধি কমে এবং সালোকসংশ্লেষণ ব্যাহত হয়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমায়। ৯ কেজি ৩ কেজি